নাজকা লাইন হলো
পেরুর প্রাচীন
ইনকা সভ্যতার
নিদর্শন।
কিন্তু বিশাল
এলাকা জুড়ে
আঁকা এসব
রেখাচিত্র কি সেই প্রাচীন মানুষের
পক্ষে এঁকে
রাখা সম্ভব?
এই রেখাচিত্র
কারা তৈরি
করলো, কেনই
বা করলো
সে ব্যাপারে
সঠিক তথ্য
আজও অজানা। কেউ
বলেন এগুলো
হলো ইনকাদের
স্বর্গীয় পঞ্জিকা। কেউ
বলেন ইনকাদের
দেবতাদের নিদর্শন
এই বিশাল
চিত্র।
আবার কারও
কারও মতে,
এগুলো হলো
এলিয়েনদের মহাকাশযান অবতরণের স্থান।
nazca-lines..খ্রিস্টপূর্ব
২০০ থেকে
৬০০ খ্রিস্টাব্দের
মাঝে কোনও
এক সময়ে
এই রেখাচিত্র
তৈরি করা
হয়।
শুধু ইনকা
সভ্যতাই নয়,
এমন রহস্যময়
রেখাচিত্র রয়েছে মিশর, মাল্টা, আমেরিকার
মিসিসিপি এবং
ক্যালিফোর্নিয়া, চিলি, বলিভিয়া এবং অন্যান্য
দেশেও।
কিন্তু নাজকায়
এসব রেখাচিত্র
এত বড়,
বিচিত্র এবং
এত বেশী
সংখ্যায় রয়েছে
যে তা
স্বাভাবিকভাবেই আকৃষ্ট করে বিভিন্ন ধারার
গবেষকদের।
নাজকা এবং
পালপা নগরীর
মাঝে অবস্থিত
এই ৪০০
বর্গমাইল মরু
এলাকা জুড়ে
রয়েছে তিন
শতাধিক রেখাচিত্র
যাতে ব্যবহৃত
হয়েছে সরলরেখা
এবং বিভিন্ন
জ্যামিতিক আকৃতি যা মাটি থেকে
বোঝা না
গেলেও আকাশ
থেকে স্পষ্ট
দেখা যায়। ১৯২০
সালে পেরুর
মরুভূমির ওপর
দিয়ে বিমান
চলাচল করতে
শুরু করে। তখন
থেকেই এসব
রেখাচিত্র মানুষের চোখে পড়া শুরু
করে।
বিমানের যাত্রীরা
বলেন তারা
এই মরুভূমির
ভেতরে নাকি
ল্যান্ডিং স্ট্রিপ এর মতো আকৃতি
আঁকা দেখতে
পান।
আশ্চর্য ভাবেই বর্তমানে
বন্যা, বিদ্যুতের
পাওয়ার লাইন
ইত্যাদির কারণে
ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই এলাকা।তবুও
ঠিক একই
রূপ আছে
পেরুর এই
নাজকা লাইন।

0 comments:
Post a Comment